ডিজিটাল মার্কেটিং!

আমরা অনেকে পেজ বুস্টিং এবং Search Engine Optimization (SEO)-র কথা জানি। ডিজিটাল মার্কেটিং টার্মটা সম্পর্কে এখনো আমাদের অত বেশি ধারণা নেই। সত্যি বলতে, দেশে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানে, এমন বিশেষজ্ঞের সংখ্যা অতি সামান্য।
ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার ব্যান্ড অথবা কোম্পানিকে সর্বোচ্চ ভিজিবিলিটি দিতে বাধ্য।
এটাতে অনেক উপাদান এবং কৌশল অন্তর্ভুক্ত।
১। আপনার ওয়েবসাইটের সঠিক পরিচর্যা। সঠিক ল্যান্ডিং পেজ, আপ টু ডেট কনটেন্ট মেইনটেইন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২। কনটেন্ট, কনটেন্ট এবং কনটেন্ট। বাংলাদেশে অরিজিনাল কনটেন্ট লেখে এমন মানুষের বেশ অভাব। দেখা যায়, অনেকেই কপি পেস্ট করে কনটেন্ট বসিয়ে দেয়, যা ওয়েবসাইটের জন্য খুবই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে।
৩। সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার। সোশ্যাল মিডিয়া মানে এখন শুধু কোন টুল না।ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, পিনটারেস্ট যদি আপনি আপনার টার্গেট কাস্টমারদের দিকে তাকিয়ে ব্যবহার করতে জানেন, তাহলে আপনি সুফল পেতে বাধ্য।
৪। সেলস এবং অ্যানালিটিকস টুল। ব্যবসা তো বড় করছেন, কিন্তু সেলস বাড়ছে কিনা, সেটাও তো জানা দরকার। ভাল সফটওয়্যার ব্যবহার করা আবশ্যক। আরও বেশি ভাল হয়, যদি কাস্টমাইজড সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন, যেমনটা চিজকেকটেক ডেভেলপ করে থাকে।
৫। মার্কেটিং ম্যাটেরিয়াল তৈরি করা। এতে ওয়েবিনার, লিফলেট, পোস্টার, ইনফোগ্রাফিক, ভিডিও ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
৬। ইমেইল মার্কেটিং এবং SEO। যেখানে SEO টা প্রয়োজন যেন আপনার টার্গেট কাস্টমাররা আপনাকে খুঁজে পায়। ইমেইল মার্কেটিং এ এটিকেট অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। শুধুমাত্র একটা নিউজলেটার তৈরি করে ওটা পাঠিয়ে দিলেই হবে না।অনেক চিন্তাভাবনা করে বিষয়, মেইলের বডি সবকিছু তৈরি করতে হবে।
৭। সিকিউরিটি এবং মেইনটেন্যান্স। ওয়েবসাইট বানালেন, কিন্তু পরবর্তীতে আর সেটা নিয়ে আগ্রহ দেখালেন না। ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি নিয়েও কিন্তু চিন্তা করতে হবে।সময় করে বাগ ফিক্সিং এবং আপডেট নিশ্চিত করতে হবে। ইউজার রিভিউ নিতে হবে। কোন অপশন অ্যাড করা উচিত, বা কোনটা ভাল কাজে দিচ্ছে না, জানতে হবে।
