নব্য সালাফিদের যুক্তি — ‘অব্যাহতি’

নব্য সালাফিদের কাছে যখন মুজাহিদিনদের পক্ষের বড় বড় উলামাদের কথা বলা হয় তখন তারা বলে, “তাকে তো তার তাকফিরি মানসিকতার কারণে মদিনা/উম্মুল ক্কুরা ইউনিভার্সিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।”
 .
 যেমন এদেশীয় একজন আদি ও আসল মাদখালি শায়খ আব্দুল্লাহিল কাফি মুজাহিদিনদের বিপরীতে জবাব লিখতে গিয়ে একথাগুলো এনেছেন।
 .
 আসলে অব্যাহতি দেয়া মানেই উনার দীনী জ্ঞান কমে গেছে বা উনি আলেম নন একথা ভ্রান্ত তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
 .
 তবুও আমরা দেখব, সৌদি ইউনিভার্সিটি থেকে অব্যাহতি দেয়া হলেই কি তাকে আমরা আলেম গণ্য করব না বা তার থেকে ইলম নেয়া অবৈধ হয়ে যাবে? মাদখালি মুরজিয়ারা কি নিজেদের ক্ষেত্রে এই নীতি অবলম্বন করে??
 .
 .
 মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ বলেন,
 “শায়খ আলবানী রহ. জামিয়া ইসলামিয়া মদীনা মুনাওয়ারায় কয়েক বছর শিক্ষকতা করেছেন।
 কিন্তু তাঁর নতুন নতুন মতামত উদ্ভাবনের ফলে তৎকালীন সৌদির ধর্মীয় নেতা (গ্র্যান্ড মুফতি) শায়খ মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহীম তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করেন এবং তাঁকে জামিয়া ইসলামিয়ায় অবস্থানের সুযোগ বন্ধ করে দেন।”
 — — -
 তো! মাদখালিরা কি জামিয়া মদিনা থেকে শায়খ আলবানির অব্যাহতির কারণে তার কাছ থেকে ইলম নেয়া বন্ধ করেছে বা তাকে গাইরে আলেম সাব্যস্ত করেছে?
 — — -
 উত্তর হচ্ছে- না। 
 যা কিনা মুরজিয়াতুল আসর, মাদখালি-জামিদের দিমুখীচারিতার আরেকটি উদাহারণ।