নিয়ন্ত্রিত আবেগ!

“অনেক আহলে ইলম, কেউ জিহাদে বের হওয়ার ইচ্ছা করলে তাকে একথাগুলো বলতে থাকে: নিয়ন্ত্রিত আবেগ কাম্য.. মানসিক প্রবণতার শিকার হয়ো না… বেহুশ হয়ো না.. এধরণের আরো অনেক শব্দ রয়েছে।
যেগুলোর পিছনে তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হল কেউ জিহাদে বের হতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়া ও বঞ্চিত করা।
ফলে যে ই জিহাদকে ভালবাসে, আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠে এবং পবিত্র ভূমি ও সম্মানের পক্ষে লড়াই করতে ইচ্ছা করে, সে ই হয়ে যায় আবেগী লোক। সে ভারসাম্যপূর্ণ জ্ঞান দিয়ে চিন্তা করে না.. বেহুশ.. তার অনিয়ন্ত্রিত আবেগ..।
আচ্ছা মানসিক প্রবণতা জিনিসটা কি?! ভালোবাসা ও ঘৃণা ব্যতিত কিছু? আর আল্লাহকে ভালোবাসা ও আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করে দেয়াই কি ভালোবাসার সর্বোচ্চ স্তর নয়?
আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে তাড়াহুড়া করা, আল্লাহর সন্তুষ্টি কমনা করা এবং আল্লাহর বিধান কার্যকর করতে কোনরূপ অলসতা, দ্বিধা-দ্বন্দ ও বিলম্ব না করাকেই নামকরণ করা হয় মানসিক প্রবণতা ও অনিয়ন্ত্রিত আবেগ বলে!
তাই তোমরা যে নামেই অভিহিত করো না কেন, এগুলো হচ্ছে তোমাদের আল্লাহকে ও আল্লাহর প্রতীকসমূহকে সম্মান না করার আলামত। যা অন্তরের তাকওয়ার অন্তর্ভূক্ত। .
প্রকৃতপক্ষে এসমস্ত বুলি ও ডায়লগগুলো হল নিজ বন্ধুদের প্রতি শয়তানের সাজানো গুছানো ওহী। এধরণের আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে, যার ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। এগুলো মূলত: আপন বন্ধুদের প্রতি #শয়তানের_ওহী।
আর যদি কোন ব্যক্তি এ সকল চমকপ্রদ কথার প্রবক্তা ও তথাকথিত ভারসাম্যপূর্ণ যুক্তিবাদীদের পক্ষে বলত, তাদের সম্মান ও মর্যাদার পক্ষে কথা বলত, তাহলে তার দিকে এতসব কথার তীরবৃষ্টি বর্ষণ হত না, যার পরতে পরতে শুধু ধোঁকা ও বাঁধা দান! তাহলে এই পার্থক্য কেন!!!??
আমরা এমন কাউকে শুনিনি যে, যে ব্যক্তি সরকারী বাহিনীর সাথে মিলে অথবা যে শাসন ব্যবস্থা গঠন করা হয়েছে শুধু ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষা বা স্বৈরাচারি শাসন রক্ষার জন্য -তথা না দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য, না জবরদখলকৃত পবিত্র ঐতিহ্যগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য, না পৃথিবীতে আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য- তার সাথে মিলে যুদ্ধ করতে যায়, তাকে উদ্দেশ্যে করে বলেছে- ‘মানষিক প্রবণতার শিকার হয়ো না’, ‘আবেগাপ্লুত হয়ো না’, ‘নিয়ন্ত্রিত জযবা রাখতে হবে’… এমন কাউকে শুনিনি। তাহলে কেন যে জিহাদে যেতে চায় তাকেই কেবল এসকল কথাগুলো বলা হয়!!!??”
- শায়খ খালিদ আল হুসাইনান রহঃ,
- “জিহাদ পরিত্যাগকারী আলেম ও তালিবুল ইলমদের বিরল ও বিস্ময়কর সংশয়” থেকে গৃহীত। পুরোটা পড়ুনঃ (https://tinyurl.com/ybfc8lcx)