Image for post
Image for post
Image by Alexas_Fotos from Pixabay

টুক টাক ঠুক ঠাক চলছে চলবে
শহর নগরের ভাঙ্গতী বা গড়তী পড়তি বাড়ি-ঘর দুম-দাম করবেই
এর মধ্যেই বসবাস, বাস বা রিক্সায়
অফিসে আদালতে কাজ-কাম লেখা পড়া
চলছে চলবে
হার্টের রোগীটা আজ উঠেছেন রাত-ভোরে
এইবারে যেতে হবে গাড়ি চেপে
ডাক্তার বাড়িতে
দুড়-দাড় দুম-দাম রাত-দিন সারাক্ষণ
দেশটাকে গড়তে শব্দ দুষনেও হবে
কিছুজনতো মরতে।


Image for post
Image for post
Image by Free-Photos from Pixabay

আমি খুব সহজ সরল প্রেমিক
সুন্দর চেহারার পেছনে ছুটি না
সহজলভ্য সুশ্রী মেয়ের সাথে ছুটি কাটাই।
পার্কের বেঞ্চে বসি
হাত ধরি না, পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকি
হোটেলে কদাচিৎ যাই খেতে
কফি বা পিৎজা
ঢেকুরও তুলি না কারো সামনে
সিনেমায় নিয়ে যাই না
সিনেমায় যাওয়ার প্রস্তাবও করি না
কস্মিন কালে
মাস দুয়েক পর, সে বললো, তুমি একটা হাবা
পরে আর আসে নি কখনো।
আমিও ওগলির পথ মাড়াই নি আর।
এ ভাবে আমার পাড়ার ছটা গলির দিকে আমার যাওয়া
আর আসা বন্ধ।
তখন আর দুটো গলি বাকি
আবারো।
এবার দুদিনের মাথায় বলে বসলাম
আসলে আমি তোমায় ভালবাসি
ও হেসে মেনে নিলো বললো, ঠিক আছে
এবার প্রেমটা টেকাবার জন্যে সিরিয়াসলি বললাম
চলো না মধুমিতায় একটা সিনেমা দেখতে যাই,
অন্ধকার ঘরে বসে দু-চারটে চুমো খাওয়াও যাবে।

টিকিট কেটে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি
মধুমিতার গেটে। পরের শোটার হাফ টাইম চলছে


Image for post
Image for post
Image by Free-Photos from Pixabay

এখন তুমি কারো সাথে বিছানায় না শুয়েও বাবা হতে পারো
খুবই আধুনিক যুগের একটু আগের সময় এটা
ইতিহাস বলবে এটাকে একসময়ে প্রাচিন ডিজিটাল যুগ
যে যুগে মানুষ এক দুই তিন চার ছেড়ে শূণ্য আর এককে
কিংবা ক খ গ ফেলে দিয়ে শুধু শূণ্য আর এককে
বেছে নিয়ে ছিল তথ্যের আধার হিসেবে
তখনো গাড়িতে চাকা ছিল, খাবার জন্যে মানুষ
ভাত, রুটি কিংবা হাবি জাবি সব জৈব্য ব্যবহার করতো
প্রেম ভালবাসা তখন সবে উঠে যেতে শুরু করেছে
এবং বিবাহ নামের এক অদ্ভুত সামাজিক প্রহসন
তখনো ছিল বিশ্বজুড়ে, কেউ কেউ সবে লিভ-টুগেদার নামে
সিম্পল-লিভিং শুরু করেছে, তাই তখনো কোথাও কোথাও
প্রেম, ভালবাসা, বিছানায় শোয়া, স্নেহ, বা বাচ্চার গাল টিপে আদর করা
এ সব ছিল পৃথিবীতে। ছিঃ ছিঃ কী জঘণ্য, কী বিচ্ছিরি ছোঁয়া ছুঁয়ি সব।


— — — জ্যাক প্রেভো

Image for post
Image for post
Image by My pictures are CC0. When doing composings: from Pixabay

বাগানের পায়ে চলা সরুপথে ঘোড়া শিথীল হয়ে পড়েছে
পাতা ঝরছে
প্রেম কাঁপছে থিরিথিরি
এবং সূর্যটাও


Image for post
Image for post
Image by My pictures are CC0. When doing composings: from Pixabay

সুনীলের শ্রেষ্ঠ কবিতার বাইশ পৃষ্ঠায়
কিছু পাঁপড়ি ধুঁকে ধঁকে কালো ফসিল হয়ে গেছে
অনাবিল সাক্ষী হয়ে,
কী যেন নাম তার!
সেই বাইশ বছরে একবার আত্মহত্যা করতে চেয়েও
তাবৎ রাত অপেক্ষা করেছি

মাঝরাতে ও আসবে
সাহস আসবে ঘোড়া ছুটিয়ে
তিনজনে বসে একসাথে
দু দু পেগ বিশ খাবো

সেও আসে নি, ও-ও আসে নি
আমারো আয়ু বেড়ে এত দূর


Image for post
Image for post
pixabay

এক বন্ধুকে দিয়েছিলাম পড়তে
ফরাসী এক লেখকের অনুবাদ
সে নিজেই বড় হয়ে
ফরাসী অনুবাদক হয়েছে নামকরা।
এক বন্ধুর হাত ধরে ডেকে এনে
করিয়েছিলাম অভিনয় মঞ্চে
সে এখন বেশ বড় অভিনেতা
আমাকে কখনো হাত ধরে কেউ কোথাও নিয়ে যায় নি
আমি আজো সবার হাতে অনুবাদ দি তুলে
মঞ্চে তুলে দি ধাক্কা মেরে
যেখানে ছিলাম সেখানে দাঁড়িয়ে


Image for post
Image for post
Image by Couleur from Pixabay

কবি আজ তোমার উত্তরের জন্যে
হণ্যে হয়ে বারংবার এসেছি তোমার ডেরায়
শেষে, তুমি গম্ভীর নতশির। বললে, ঠিক!
আমি জিউসের ঈগল পাখি হয়ে পড়লাম সে মুহূর্তে
প্রমিথিউসের কলজেটা টেনে ছিড়ে নিয়ে উড়ে যাবো প্রতি দিন
জানি তোমার নতুন কলিজা জন্ম নেবে আবার
কারন তুমিই মানুষকে সোজা হয়ে হেঁটে বেড়ানো
শেখালে। আগুন এনে দিলে মানুষের হাতে
দেবতার আগুন — মনঃমাঝারে যা জ্বলে অহরনিশ


Image for post
Image for post
Image by CHRIS carroll from Pixabay

বাঁধ বাঁধে যে, সে কি চায়না পানি আসুক ধেয়ে তার দিকে
যে খাল কাটে, সেওতো মনে মনে জানে কুমীর আসবেই
তাই বাঁধ ভাঙ্গে, জল পড়ে, পাতা নড়ে
কুমীরও আসে সময় মতো
যৌবনে মানুষ কিছু ভুল করেই
আর যে ভুল করে না, সে বড়ই ভুল করে।


বল রাজা বল, কী চাও তুমি?
তোমার রাজ্যের সুন্দর সমালোচনা
নাকি, ভূয়সি প্রসংশা?
রাজা চুপ করে আছেন।
বল রাজা বল, জানি ঈডিপাসের মতো
মরন ছোবল আমারো হস্তরেখায়
কারন আমিও ওর-ই মতো অভিলাসী
ও পাপী — পাপ ছিল কপালে লেখা
তা খন্ডাবে কেন বিধাতা? বল
রাজা বল।
রাজা রাজ রক্তে রাঙ্গা রক্তিম চোখ তুললেন,
‘সমালোচনা!! তুমি কি
সমালোচা করবার যোগ্য মানুষ।
আমি আগুন ছিনিয়ে আনতে গিয়ে…
থাক সে কথা, তুমিতো বোধহয়তাও জানো না।‘


Image for post
Image for post
Image by PublicDomainArchive from Pixabay

এখন আর ঘাসগুলো আগের মতো কথা বলে না
কেতকীও আসে না ঘাসে বসে বসে
আকাশের তারা গুনতে, কিংবা
বাথরুমে গলা ছেড়ে গাওয়া কোনো গান
খোলা মাঠে গুন গুন স্বরে শুনতে।
যে পথে আমি হাঁটতাম, সে ফুটপাথ চলে গেছে বহু-দূর
সাথে হেঁটে চলে গেছে বিশাল বড় পাকা রাস্তা
ঘুম ঘুম সরোবরে, ঝুপ ঢুব দিয়ে ওঠে মাছরাঙ্গা
চায়ে বিস্কুট ডুবানো জীবন
আজ আর দোতলার ঝুল বারান্দাটা নেই
মাঠি ছেড়ে বহু উপরে, প্রায় বিমানে
বসে থাকা অভিমানী মন, কোটি টাকার
সোনার খাঁচায় সারাক্ষণ ভাবে
আহারে, কতদিন মাটি দেখি না,
মাঠ দেখি না, ঘাস ছুঁই না
ঘাস ছুঁয়ে বসে গান গাই না
তাকিয়ে থাকার জন্যে তোমার চোখ পাই না
শুধুই না, না, না, না
জীবন যেমন চলে সেটাই জীবন
বাকিটা স্বপ্ন, সেটুকু চোখেই লেগে থাক

About

Ashraf-ul Alam Shikder

Script Writer, Writer, Designer: made Ad-Films and TV-Films Cinematographer, Video-Editor, Script Writer Past 2 decades: worked as a Creative Director

Get the Medium app

A button that says 'Download on the App Store', and if clicked it will lead you to the iOS App store
A button that says 'Get it on, Google Play', and if clicked it will lead you to the Google Play store