এনক্রিপশন ​​কি এ​বং কত প্রকার এবং কিভাবে কাজ করে ?​​​​​

এনক্রিপশন ​​কি এ​বং কত প্রকার এবং কিভাবে কাজ করে ?​​​

​​​​এনক্রিপশন এমন একটি পদ্ধতি যা কম্পিউটারের হিউমার রিডেবল কোন তথ্য কে এমন ভাবে পরিবর্তন করে যা মানুষ পড়তে এবং বুঝতে পারে না । তাই কেউ যদি কোন ডাটা এনক্রিপটেড অবস্থায় থাকা কম্পিউটারে এক্সেস করতে পারে তবুও সে সেই ডাটাকে রিড করতে পারবে না যদি না তার কাছে এনক্রিপটেড ডাটা কি থাকে ।

​​এনক্রিপশন এর বেসিক ফাংশন হল কোন নরমাল টেক্সট কে পরিবর্তন করে সাইফার টেক্সট এ পরিবর্তন করা । এনক্রিপশন এটার নিশ্চয়তা প্রদান করে যে এটা কোন অসাধু মানুষের হাতে গেলে সে যেন ডাটাটাকে পড়তে না পারে ।

এনক্রিপশন​ মূলত তিন প্রকার ।​​

এনক্রিপশন এর মূলত বেসিক তিনটি পদ্ধতি আছে । এদের প্রত্যেকটির নিজস্ব সুবিধা এবং অসুবিধা আছে ।​

  1. হ্যাশিং​
  2. সিমেট্রিক ​মেথড​​
  3. এসিমেট্রিক মেথড​

হ্যাশিং​​​​ : হ্যাশিং টেকনিক্যালি যদিও একটি এনক্রিপশন পদ্ধতি নয় তবুও এটা ডাটা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে । হ্যাশিং যেকোন ম্যাসেজ কিংবা ডাটা সেটের জন্য ইউনিক এবং Fixed-length signature তৈরী করে ।

প্রত্যেক নিদৃষ্ট ​​মেসেজের জন্য একটি্ নিদৃষ্ট ​​ইউনি​ক হ্যাশ আছে । যেমন আমরা যদি najmul কে MD5 হ্যাশ এ কনভাট করি তাহলে এর হ্যাশ ​হবে,

37​d​efca5d13a9640990d59d129f191ed​​​

​ ​ অর্থাং​​ আমরা যতবারই এটা কে কনভাট ক​রি না কেন উত্তর এ​​কই হবে । এনক্রিপটেড ডাটকে অরজিনাল ডাটাতে রিভার্স করা প্রায় অসম্ভব ।​​

বিভিন্ন ধরনের হ্যাশিং ফাংশন আছে । যেমন MD5 ,​​​ SHA​​-1 ​ইত্যাদি ।​

MD5( Message-Digest algorithm 5) ডিজা​​ইন করেছিলে​​ন Ronald Rivest 1991 সালে ।​

Najmul এর MD5 হ্যাশ ।

সিমেট্রিক ​মেথড​​​ : সিমেট্রিক এনক্রিপশন প্রাইভেট কি কিপ্টেগ্রাফী নামে পরিচিত । এটির এই নামে পরিচিত হওয়ার কারন হল এটিতে একটি মাত্র ​প্রাইভেট কি থাকে ​। এই প্রাইভেট কি দ্বারাই যে কোন মেসেজ এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করা হয় । এজন্য ​এই কি সবসময় সিকিউর রাখা প্রয়োজন । কেননা কেউ যদি এই কি পেয়ে যায় তা​হলে সে যেকোন এনক্রিপ্টেড মেসেজ কে ডিক্রিপ্ট করতে পারবে । এই মেথডে ডাটা Sender ​এবং Reciver ​একই প্রাইভেট কি ব্যাবহা​​র করে ।

​​​​যেমন : AES এনক্রিপশন ।​​ ​​

AES(A​​dvanced En​cryption Standard​) অ্যা​​লগরিদমটি ডেভলপ কারেন বেলজিয়া​​ম ক্রিপ্টোগ্রাফার Joan Daemen এবং​​ Vincent ​Rij​​​​me​n । এটি ১২৮ , ১৯২ ​এবং ​২৫৬ বিট key lengths সাপোর্ট করে ।​​​​​​​​​ AES একটি ভাল পদ্ধতি বিভিন্ন সেনসেটিভ ডাটা large Database এ সংরক্ষন করার জন্য ।

AES 256 bit

উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে যে একটি AES এনক্রিপশনের জন্য একটি টেক্সট ফাইল (najmul) যাকে এনক্রিপটেড করা হবে এবং একটি এনক্রিপশন কি (123) এবং এনক্রিপটেড ফাইল এর Key Length (256) কত হবে তা সিলেক্ট ক​​রে দেওয়া হয়েছে ।

এবং এনক্রিপটেড ডাটা​ ​​দেখাচ্ছে ,​

SJagOvjR5nwmqN​+tABG5/mu+QRsz9x4fHcXGpWRuKA=​

​​​এখন এই এনক্রিপ্ট ডাটাকে ডিক্রিপ্ট করতে চাইলে এনক্রিপশন ​​কি (১২৩) ব্যাবহার করতে হবে । অর্থাৎ এই এনক্রিপশন ​কি ছাড়া এনক্রিপ্ট ডাটা​​ ডিক্রিপ্ট করা প্রায় অসম্ভব ।​​

এনক্রিপ্ট ডাটাকে আবার ডিক্রিপ্ট করা হল

​​​​​​নিজে চেষ্টাকরতে চাইলে বিস্তারি​​ত : http://aesencryption.net/​​

এসিমেট্রিক মেথড​ : এসিমেট্রিক এনক্রিপশন ,পাবলিক কি কিপ্টেগ্রাফী নামে পরিচিত । এটি পূর্বের পদ্ধতি টি থেকে আলাদা কারন , এটি দুইটি কি ব্যাবহার করে এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট এর জন্য এবং এটি সিমেট্রিক এনক্রিপশন থেকে বেশী সিকিউর । এই পদ্ধতিতে পাবলিক কি টি সবার জন্য ব্যাবহারের জন্য উন্মুক্ত এবং প্রাইভেট কি শুধু আপনি ব্যাবহার করতে পারবেন ।

পাবলিক কি ডাটা এনক্রিপ্ট করতে ব্যাবহূত হয় এবং প্রাইভেট কি এনক্রিপ্টকৃত মেসেজ বা ডাটা ডিক্রিপ্ট করতে ব্যাবহৃত হয় ।

এসিমেট্রিক এনক্রিপশন

সহজ ভাষায় বললে মনে করুন আপনি এবং আপনার গালফ্রেন্ড দু্জন নিয়মিত ইমেইলে মেইল আদান প্রদান করেন । তো কেউ যদি আপনার মেইল অ্যাকউন্ট হ্যাক করে ফেলে তাহলে সে আপনাদের সকল মেইল পড়ে ফেলবে । 
তো এজন্য আপনার এসিমেট্রিক এনক্রিপশন পদ্ধতি ব্যাবহার করলেন । 
এজন্য আপনি আপনার গালফ্রেন্ড কে আপনার পাবলিক কি দিয়ে দিলেন । সে সেই পাবলিক কি ব্যাবহার করে আপনাকে মেসেজ পাঠাল । সেই এনক্রিপ্টকৃত মেসেজ যদি কেউ পেয়েও যায় সে ডিক্রিপ্ট করতে পারবে না কারন সেটি শুধু আপনার প্রাইভেট কি দিয়েই ডিক্রিপ্ট করা সম্ভব এমনকি আপনার গালফ্রেন্ড সেই মেসেজ আপনার পাবলিক কি দিয়ে এনক্রিপ্ট করার পর সে নিজেও ডিক্রিপ্ট করতে পারবে না । অর্থাৎ আপনার পাবলিক কি দিয়ে এনক্রিপ্ট করা মেসেজ শুধু আপনার প্রাইভেট কি দ্বারা ডিক্রিপ্ট করা সম্ভব । এজন্য আপনার পাবলিক কি আপনি সবাইকে দিয়ে দিতে পারেন ।

কিছু এসিমেট্রিক এলগরিদম :

RSA
Diffie-Hellman
Digital Signature Algorithm
ElGamal
ECDSA
XTR

পড়ার জন্য ধন্যবাদ । ভাল লাগলে লাইক এবং শেয়ার দিতে ভুলবেন না ।

One clap, two clap, three clap, forty?

By clapping more or less, you can signal to us which stories really stand out.