বাংলা ছোটো গল্পো

……………………………………………….

শ্রীমতী অঞ্জলি দেনন্দী , মম

…………………………………………………………..

NEW DELHI

………………………

আমার উপহার

………………………..

আমি একদিন নতুন্দিল্লীতে চাকরির ইনটারভীউ দিয়ে ফিরছী , মন খুব খারাপ ; চাকরীটা হয়নি বলে……..পথে দেখতে পেলাম রামকৃষ্ণ আশ্রম , নতুন্দিল্লি , ঢুকে পড়লাম , দেখি অনেকে বসে জপ করছেন , এবং স্বামী জী — ও জপ করছেন ; আমি ও করলাম ; পরে মেট্রো রেল এ করে আসছি , কয়েকজন মহিলার সাথে পরিচয় হোলো , ওনারা বললেন যে , ‘’ আজ জপ দিবস , আশ্রম থেকে ফিরছী ; ‘’ আমি অবাক হলাম ; ঠাকুর আমাকে দিয়ে তাঁর কর্মও করালেন এবং তা পরে জানালেনো ; অথচ আমি কিচ্ছু-ই আগে জানতে পারলাম না ; উপহার …………………

……………………………………………………………………………………………………………………………

ঠাকুর তুমি আমারাত্মা , তাই একটু তোমার সাথে মজা কোর্ছি, ক্ষমা কোরো

…………………………………………

লেখিকা- শ্রীমতী অঞ্জলি দেনন্দী , মম

……………………………………………..

এক ভন্ড একটি মাটির মা কালীর মূর্তি , তার বাড়ির সামনে রেখে দিলো আর বড়ো বড়ো করে মূর্তিটির পাশে লিখে দিলো ‘’ টাকা মাটি , মাটি টাকা ‘’ ………আর মনে মনে ভাবতে লাগলো ,’’ এবার বহু মানুষ এই মাটির মূর্তির সামনে টাকা ঢালবে…..আর আমি বরোলোক হয়ে যাবো….’’ ঠিক তাই হলো ………

আর এক প্লট বিক্রেতা তার .প্লট-এর সামনে লিখে রাখলো , ‘’ টাকা মাটি , মাটি টাকা ‘’……….পরে সে প্লট বিক্রী করে খুব বরোলোক হোলো…….

এক সিমেন্ট ব্যাবসা-ই তার গোডাউন-এর সামনে লিখে রাখলো , ‘’ টাকা মাটি , মাটি টাকা ‘’……….আর সে সিমেন্ট-এর সঙ্গে গঙ্গা-মাটি মিশিয়ে বিক্রী কোরতে লাগলো , খুব বরোলোক হোযে গ্যালো ……….

তখন স্বর্গো থেকে ঠাকুর হেসে বললেন , ‘’ যতো মত , ততো পথ ‘’ ………….

………………………………………………………………………………………………………………………………………………….

আমি গণ

……………….

লেখিকা-মম

…………….

আমি শুয়ে আছি,ফুট পাত — এর ওপরে ;;;;;;;আজ খুব ঠান্ডা !……..ছাব্বিশ জানুয়ারী , গায়ে , একটি ছেঁড়া কাঁথা ঢাকা দিয়ে ; খুব কাশী হচ্ছে…….আমার ছেলে , কাজে গেছে ……ওই ও পাড়ায় নেতা বাবু আজ পতাকা তুলবে, তাই আমার ছেলে, সেখানে কাজে গেছে…….মাঠটা সাফ রাখতে হবে…আমার ছেলেই , এ কাজটা করে…কিছু টাকা পায়……ওই শোনা যায়….জনগনমন ……ও ও ও বড্ড কাশী হচ্ছে……..একটু পরে…তার ছেলে ফিরে এলো , খাবার হাতে ; সে দেখলো , যে , তার মা , মারাগেছে …………….কী করে…..পড়াবে কী করে……..সন্ধে হলো….পতাকাটি……..নীচে পরে আছে দেখলো….. তুলেনিলো পরে , মাকে চাপা দিলো….বাবু মায়ের শেষ কাজ করলো খরছ করে….সে কেঁদেকেঁদেবো ল লো

‘’…..জনগণমন…..’’

One clap, two clap, three clap, forty?

By clapping more or less, you can signal to us which stories really stand out.