চাঁদের আলো

রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম , কিন্তু হুট করে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো । 
জানালার পর্দাগুলো সরিয়ে দিলাম । সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী । প্রশংসা সহ আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি । 
কি অসম্ভব সুন্দর চাঁদ ও তার আলো । 
নারিকেল গাছের ডাল-পালা গুলো ভেদ করে ঘরের মেঝেতে এসে পড়েছে । অন্ধকার ঘরটা আলোকিত হয়ে গেলো। 
এই চাঁদের সাথে আমাদের কত অতীত ইতিহাস জুড়ে আছে । আচ্ছা ,নবীজী ﷺ যেদিন মদীনায় হিজরত করেছিলেন 
সেদিনও ত এই চাঁদ এইরকম আলো দিয়েছে তাই না । চাঁদটা কত ভাগ্যবান । যুগ যুগ ধরে সবাইকে দেখে , আলোকিত করে । দুনিয়াতে মানুষ কিছুদিনের জন্য আসে । চাঁদের আলো উপভোগ করে । জীবন উপভোগ করে । 
এরপর পরীক্ষা দিয়ে আসল ঠিকানায় চলে যায় । 
এই চাঁদ জগতের প্রথম থেকেই আছে । আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে । নেককার মানুষগুলো , আল্লাহর প্রিয় বান্দাগুলোও এমন হয় । মানুষের মাঝে আলো ছড়িয়ে যায় । আলোকিত করে । জোসনা রাত নিয়ে আমার তেমন কোন আগ্রহ ছিলো না । তবে যেদিন আদিব হুজুরের প্রানপ্রিয় শিক্ষক আব্দুল হাই পাহাড়পুরী রহ:-কে নিয়ে লিখিত “আমার জীবনে তিনি , তাঁর জীবনে আমি” পড়লাম তখন আমারও খুব মনে চাইলো ইসস… 
আজ হয়ত পুরো জোসনা নেই তবে কোন এক জোসনা রাতে আমারও চাঁদের আলোতে পায়চারী করতে ইচ্ছে করে । নৌকাতে বসে বসে জোসনার আলোতে অবগাহন করতে ইচ্ছে করে । প্রিয় কোন মানুষের পাশে বসে আদিব হুজুরের মত করে ।

One clap, two clap, three clap, forty?

By clapping more or less, you can signal to us which stories really stand out.