প্রসঙ্গঃ স্কিল ও চাকরি

অবস্থা এমন যে আমি যদি কিছু করতে চাই আমাকে কিছু করতে দেয়া হবেনা, কম দামের ভার্সিটির সাথে দামী ভার্সিটি তুলনা করেও বোধহয় লাভ হবেনা, কারণ কম দাম হলেও তার টাকা জোগাড় করতে যে বাপের কষ্ট কম হয়নি! আর চাকরি? সেইটা নাই। ৫০ জায়গায় খুজেও চাকরি পাইনাই। কিছু বলেনা, কিন্তু নকও দেয়না পরে। :(

চাকরি আছেঃ

চাকরির বাজারে চাকরি নাই সেটা না। চাকরি আছে। আসলেই চাকরি আছে, কাজ আছে। কিন্তু, সত্যটা বললেই ত আমার সাথে লেগে উঠবেন। আপনাকে যদি বলি আপনি কি পারেন, আপনি চুপ করে থাকেন। আপনার আসলে স্কিলটাই নাই।

স্কিল নাই। হয় স্কিলের দিকে কারো মন নাই, নাহলে জাস্ট কোনমতে পাশ করে বেরোতে পারলেই চলেছে।

সামাজিক বাধাঃ

যদি কারোবা স্কিল তৈরি করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে সে কেন সারাদিন বসে থাকে তা নিয়ে খোটা শুরু হয়। কেন সে সময় করে ক্লাসে যায়না, কেন সে সময় করে ভার্সিটি যায়না, অফিস যায়না। স্কিল তৈরির দরকার নেই, লাফিয়ে পড়ো চাকরির জন্য। আর হ্যা, খোটা ত দেয়া হবেই। খোটা ছাড়া কথা থাকবে না। খেতে খোটা, ঘুমাতে খোটা। কেন অমুক A+ পেল তুই পেলিনা, কেন অমুক ৫০ হাজার কামায় তুই কামাসনা, কেন কেন কেন। ঈর্ষা, হিংসা, আর লোভে হয়ে পড়ে সবাই অধৈর্য।

ওহ, আবার যারা স্কিল তৈরি করতে চায়, তাদের অনেকই হলো আজাইরা পাবলিক, হাতে কলমেই তাদের স্কিল বানিয়ে দিতে হবে। বাসায় গিয়ে স্কিল তৈরি করে দিয়ে আসতে হবে। এজন্যই তাদের স্কিল তৈরি হয়না।

অনেকে আবার জানেই না যে সে কিসের স্কিল তৈরি করবে। একপাশ হতে শুরু না করে সে বসে থাকে কি শুরু করবে সেটা নিয়ে।

বসে থাকতে যে সময়টা নষ্ট হচ্ছে, সেই সময়টা ত কিছু করা যায়, তাইনা?

যারা চাকরি পায়ঃ

এদের মধ্যে যারা এই সব যুদ্ধ-বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এগিয়ে যায়, তারাই জয়ী হয়। কেউ জয়ী হয় টাকা দিয়ে, কেউ জয়ী হয় স্কিল দিয়ে। কেউ টাকার কাছে হার মানে, কারো কাছে টাকা হার মানে।

যারা স্কিলের পিছনে দৌড়ায়, তাদের স্কিল প্রথমে কম থাকলেও তাদের স্কিল একসময় এমন পর্যায়ে যায় যে তাদের মানুষ চাকরি দেবার জন্য নিজ হতেই নক দেয়। যার মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে, ইচ্ছা আছে, স্কিল কম থাকলেও তাদেরই খুজে বের করে।

পৃথিবীতে ২ ধরনের মানুষ এগিয়ে যায়, যতটুকু যাওয়া যায়।

  • একঃ যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে।
  • দুইঃ যারা নিজের ক্ষমতা নিজে তৈরি করে।

কিছু লিংক, যারা পড়তে ভালোবাসেনঃ