DevsOrigin
Published in

DevsOrigin

সহজ বাংলায় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)

আগের আর্টিকেলে আমরা ডেটা (Data), ইনফরমেশন (Information) ও ডাটাবেজ (Database) সম্পর্কে জেনেছিলাম। এই পর্বে আমরা আলোচনা করবো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) নিয়ে।

Photo by Christopher Gower on Unsplash

আগের আর্টিকেলে আমরা দেখেছি যে ডাটাবেজ হচ্ছে, অনেক গুলো তথ্য, উপাত্ত বা রেকর্ডের সংগ্রহশালা এবং রেকর্ড সমূহ সুবিন্যস্ত ভাবে একে অপরের সাথে সম্পর্ক যুক্ত ভাবে থাকে। এই সম্পর্ক যুক্ত ডাটাবেজ মডেল কে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। রিলেশনাল ডাটাবেজ ছাড়াও অন্যান্য বেশ কয়েক ধরণের ডাটাবেজ প্রচলিত আছে। যেমনঃ গ্রাফ ডাটাবেজ, ডকুমেন্ট ডাটাবেজ (MongoDB) ইত্যাদি।

বহুল প্রচলিত রিলেশনাল ডাটাবেজ সমূহঃ

উপরের সব গুলোতে ডেটা নিয়ে কাজ করার জন্য SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করা হয় এবং এই সকল ডাটাবেজে ডেটা সমুহ একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত ভাবে টেবিল অনুযায়ী সাজানো থাকে।

বহুল প্রচলিত নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ সমূহঃ

  • MongoDB (Document based Database)
  • Redis (Key-value pair based Databased)
  • Neo4j (Graph Database)

নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ সমূহকে আবার NoSQL ডাটাবেজও বলা হয়। কারণ, এই সব ডাটাবেজে ডেটা কুয়ারি, ডেটা ম্যানিপুলেশন সর্বোপরি ডেটা নিয়ে কাজ করার জন্য SQL ব্যবহার করা হয়না। বরং এসব NoSQL ডেটাবেজের প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু টুলস এবং টেকনিক থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে NoSQL ডাটাবেজ সমূহ রিলেশনাল ডাটাবেজের তুলনায় অনেক বেশি ভালো পারফরমেন্স দিয়ে থাকে।

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)

উপরে উল্লেখিত রিলেশনাল বা নন-রিলেশনাল সকল ডাটাবেজ সমূহ এক একটা সফটওয়্যার এবং এই সকল ডাটাবেজে ডাটা রাখা এবং সেখান থেকে ডাটা বের করে নিয়ে আসা বা অভারঅল যে ডেটা ম্যানিপুলেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) বলে।

প্রতিটি ডাটাবেজ কোম্পানি বা অরগানাইজেশন তাদের ডাটাবেজের জন্য একটা ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) সফটওয়্যার তৈরি করে দিয়ে থাকে। যেমনঃ

  • MySQL এর জন্য MySQL Workbench
  • MSSQL এর জন্য Microsoft SQL Server
  • MongoDB এর জন্য MongoDB Compass ইত্যাদি।

যেকোনো একটি DBMS সফটওয়্যারের প্রধান কয়েকটি ফিচারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে —

  • ডাটাবেজ তৈরি বা ডিলেট করতে পারা,
  • টেবিল বা কালেকশন তৈরি, পরিবর্তন বা মুছে ফেলতে পারা,
  • টেবিল বা কালেকশনে ডেটা ইনপুট দেয়া, ডেটা পড়া, পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা এবং মুছে ফেলতে পারা ইত্যাদি সুবিধা থাকে।
  • আরও একটা বড় সুবিধা হচ্ছে, ইউজার অ্যাডমিনিসট্রেশন সুবিধা থাকা। যা দ্বারা একজন সুপার ইউজার তার অধস্তন ইউজার বা সেই ডাটাবেজ ব্যবহারকারী ইউজারদের কন্ট্রোল করতে পারেন।
  • DBMS অবশ্যই ACID প্রপার্টি সমূহ মেনে চলে। ACID নিয়ে একটা আর্টিকেল সামনে পাবেন ইনশাআল্লাহ।

রিসোর্সেসঃ

তো আজ এই পর্যন্ত। কথা হবে নেক্সট পর্বে সে পর্যন্ত সুস্থ থাকুন, বেশি বেশি নতুন জিনিশ শিখতে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

আমার সম্পর্কেঃ

আমি মোঃ জামাল উদ্দিন, প্রতিনিয়ত শিখছি এবং যা কিছু শিখছি তা আপনাদের সাথে লেখালেখির মাধ্যমে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। কাজ করছি সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে। আমার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://jaamaalxyz.github.io ওয়েবসাইটে এবং প্রায় সবগুলো জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইটে আমাকে পাবেন jaamaalxyz ইউজারনামে।

--

--

--

DevsOrigin aim to provide the best quality content, tutorials, case studies, and development stories about Java, Kotlin, Android, Dart, Flutter, PHP, Laravel, WordPress, JavaScript, React.js, Node.js and Web Development etc.

Get the Medium app

A button that says 'Download on the App Store', and if clicked it will lead you to the iOS App store
A button that says 'Get it on, Google Play', and if clicked it will lead you to the Google Play store
Md. Jamal Uddin

Md. Jamal Uddin

Sharing my own views about life and tech — https://jaamaalxyz.github.io

More from Medium

First steps, searching for data with elastic

7 Reasons to Publish a Unique Database Performance Ranking

NVMe performance vs. power management

IBM Sterling SFTP Server Adapter 2.0 vs. SFTP Server Adapter 1.0: Performance Comparison